বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক

সমাবেশ: বিদ্যালয়ের দৈনিক কার্যক্রম সূচনা করা হয় প্রাত্যহিক সমাবেশের মধ্য দিয়ে। ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে শৃঙ্খলা আনায়নে ক্লাস শুরু করার ১৫ মিনিট পূর্বে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে উন্নত চরিত্র গঠনের ওয়াদা করানো হয়। প্রভাতী শাখায় জাতীয় সংগীতের পর শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে কোরআন ও হাদিসের আলোকে দ্বীনি তালিম দেওয়া হয় এবং দিবা শাখায় তালিম হয় জোহরের নামাজের পর।

ডায়েরি: বছরের শুরুতে সারাবছর ব্যবহারের উপযোগী একটি উন্নত মানের ডায়েরি দেওয়া হয়। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। ডায়েরির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রতিদিনের কার্যকলাপ, উপস্থিতি, পাঠ প্রস্তুতি এর উপর পূর্ণমান ১০ ধরে নম্বর প্রদান করা হয়। এর মাধ্যমে অভিভাবকগণ ছেলেমেয়েদের পাঠের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে পারেন।

পাঠ্যসূচি: বছরের শুরু থেকে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সারা বছরের পাঠ্যক্রম অনুসারে সিলেবাস প্রণয়ন করে শিক্ষা দেওয়া হয়।

বর্ষপঞ্জি: ডায়েরি ও সিলেবাসের সঙ্গে বার্ষিক কার্যক্রম সম্বলিত একখানা বর্ষপঞ্জি পত্রিকায় দেওয়া হয়। এতে-

১. বার্ষিক অনুষ্ঠান সূচি;

২. সারা বছরের ছুটির তালিকা;

৩. বাৎসরিক বিভিন্ন পরীক্ষা ও ফলাফল ঘোষণার তারিখ সমূহ উল্লেখ থাকে। এর সাহায্যে ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবকবৃন্দ প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হয়ে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে তৎপর হন।